ভর্তা বাংলাদেশি খাবারে একটা নতুন সাদ এনে দেয়। বাংলাদেশি খাবারে এটা একটি ঐতিয্যবাহী উপাদিও খাবার। ভর্তা অন্যান্য খাবারের চেয়ে একটু ভীন্ন রকমের সাদ এনেদেয়। ভর্তা খাবারে সাদ আর রুচি দুটিই বারিয়ে দেয়। তাই আমি আপনাদের উপহার দিব ভীন্ন ভীন্ন সব সাদের ভর্তা। যা তৈরি হবে আপনার হাতের নাগালের সব উপাদান দিয়ে। যেমনঃ
শাকসবজি, মাছ, ডাল, পেয়াজ, রসুন, মরিচ, ধনেপাতা, তেল, লবন দিয়ে ভরতা তৈরি করা হয়। শাকসবজির পুষ্টিগুন অনেক বেশি। এতে থাকে এন্টিঅক্যিডেন্ট নামক এক ধরনের রন্জক পদারথ, যা বার্ধক্য রোধে সহায়তা করে। ত্বক লাবণ্য ও সজীব রাখে। এ ছাড়া শরীরের মেদ নিয়ন্ত্রণ করে এবং দেহের শক্তিকে রাখে অটুট। এতে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এতে আছে অনেক ক্যএলসিয়াম ও ভিটামিন। প্রতিদিন আমরা শাকসব্জি যেভাবেই খাই না কেন, গুনাগুন তো পাই।
![]() |
হউকনা শুধু পেঁয়াজ রসুন সাথে ভর্তারূপে। তাদের যে আছে অনেক গুন। প্রতিদিন পেঁয়াজ খেলে চর্মরোগ হতে রক্ষা পাওয়া যায়, রসুন রক্তের কোলেস্টরেল কমায়, হ্রদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং বাতের উপশম ঘটায়। এ রকম ভিবিন্ন শাকসব্জিতে আছে ভিবিন্ন রকমের গুন। যেহেতু রুচির পাশাপাশি ভর্তা আমাদের দেহের নানাবিদ পুষ্টির জোগানদেয় , তাই আমাদের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন ভর্তা রাখা উচিৎ। এই সাইটে আমি প্রায় বাংলাদেশী সবধরণের ভর্তার রেসিপি দেওয়ার চেষ্টা করবো। পাশাপাশি বাংলাদেশী সবধরণের মোজাহার খাবার রেসিপিও আমি আপনাদের উপহার দিবো।
ইনশাআল্লাহ


0 comments:
Post a Comment